সুন্দরবন মানুষের ঝুকির পারা পার
সুন্দরবন আছে সুন্দরবনেই.এখানকার মানুষের কথা কেউ ভাবে না.এখানে দ্বীপ এলাকার মানুষের নদী পারা পার সব থেকে বড় সমাস্যা.ছটো নৌকা করে জীবনের ঝুকি নিয়ে সাধারন মানুষ এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে যাতায়াত করে.একে বলে খেয়া পারা পার.এই পরিসেবা সকাল ৫ টা থেকে রাত্রী ৯ টা পর্যন্ত থাকে
,মূল্য দিতে ১ থেকে কম বেশী ৫ টাকা পর্যন্ত.রাত্রী ১০ টার পর বড় সমস্যা.পার হতে গেলে মোটা টাকা গাঁট থেকে খরচ করতে হয়.আবার এমন সময় আসে যখন রাত্রীতে ১০ পর নদী পার হতে পারা যায় না.সুন্দরবনে মানুষের গভীর রাত্রীতে বিপদ ত্রলে এলাকায় হাতুড়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার ছাড়া আর কনো উপায় থাকে না,আবার সময় সময় হাতুড়ে ডাক্তার না পাওয়া গেলে ,ওঝা বা গুনিন সম্বল .নাই মামার থেকে কানা মামা অনেক ভাল.তাই অকালে অনেক প্রান বিনা চিকাৎসায় মারা যায়.ভুল চিকিৎসার রোগ বেড়ে যায়.শহরের কনো ভাল চিকিৎসক গ্রামীন হাসপাতালে আসতে চায় না.কিছুটা হলেও একটু সমাধান হতো যদি না দ্বীপ গুলোকে একে ওপরের সাথে জুজে দেওয়া যেত.সেই কথা সব রাজনৈতিক দল গুলি সব সময় বলে কিন্তু বলে ন্যাজাট বেতনী নদিতে ব্রীজ হলো না .ঝুকি নিয়ে চলছে পারা পার.আশায় বুকে বেঁধে বসে আছে এলাকার মানুষ.কবে হবে বেতনী নদীর উপর ন্যাজাট ব্রীজ ?

